
মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর প্রতিনিধি
প্রধান উপদেষ্টা, মহা পুলিশ পরিদর্শক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন পেশ করেছেন এক ভুক্তভুগি। সরেজমিনে-সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক আইনগত সাহায্য প্রার্থনা করেছেন একজন ভুক্তভুগি। এই ভুক্তভুগির নাম আব্দুর রাজ্জাক। তিনি যশোর রেলগেট পশ্চিম পাড়ার সেকেন্দার শেখের ছেলে।
যশোর জেলার ৭৭ নং চাঁচড়া মেইজায় ৮৮৮৮ নং খতিয়ানে ৫৪০, ৫৪১ দাগে ২.৭৫ শতক জমি ক্রয় করেছেন আব্দুর রাজ্জাক। এই জমির মালিক রাজ্জাকের স্ত্রী নাসিমা আফরোজ। যেখানে চারটি সেমি পাকা ঘর ১টি গোসলখানা, ১টি রান্নাঘর, ১টি টাইম কল, ১টি টিউব ওয়েল আছে। বাড়ীটি করার পর থেকে পার্শ্ববর্তী দক্ষিণের বাড়ির মালিক লাইলী বেগম (স্বামী মৃত নাজীর) আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্য দের সাথে শয়তানি করছে। কেননা দীর্ঘদিন যাবৎ লাইলী অসৎ ব্যবসা বাণিজ্য, মাদক দ্রব্য বিক্রয় করে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন দপ্তরে এমনকি থানায় রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে। রাজ্জাকের বাড়ীর ৪টি ভাড়াটিয়া কে লাইলী বেগম অপমান, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এক ভাড়াটিয়া জয়নাল আবেদীনের পুত্র রফিকুলকে মারপিটও করেছে।
বিভিন্ন সময়ে রাজ্জাকের নামে এবং এলাকার বিভিন্ন মানুষের নামে অহেতুক হয়রানী করাতে মিথ্যা অভিযোগ করে। এতে প্রায় থানা পুলিশ মানুষ জনকে ডাকাডাকি করে। পরে লাইলীর অভিযোগ বিষয়টি মিথ্যা প্রমানিত হয়। অথচ লাইলীর ছেলে শুকুর আলী (পিতা মৃত আব্দুল খালেক )১২ মামলার আসামী।
লাইলি, লাইলীর কন্যা সুমি, লাইলীর পুত্র শুকুর আলী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এদের নামে কোতয়ালী মডেল থানা সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা আছে। উক্ত লাইলীর বামী মৃত নাজীর পুলিশের তালিকাভূক্ত লোক ছিল। কোতয়ালী মডেল থানায় লাইলীরও ছবি টানানো আছে। নাজির অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী ছিল। লাইলীর জামাতা সোহাগ যশোর জেলার বিভিন্ন মামলার আসামী। এমনকি কোতয়ালী থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা আছে যার নং ৫ তাং ২২/৬/২০।
লাইলীর নামে ২টি মামলা সদর জি, আর ৭৭২/২১ মাদক দ্রব্য ২০১৮ এর ৩৬ (১) এর ১০ (ক)।
ছেলে শুকুর, মা লাইলী মেয়ে সুমী টেকনাফ থেকে মাদক দ্রব্য ইয়াবা আনে। এরা তা সাপ্লাই দেয় ১) মরার বউ আসমা প্রাইভেট স্ট্যান্ডে ২) ছোটোর বউ ৩) সোহেল পিতা রিক্সা চালক নূর ইসলাম কলাবাগান ৪) সুফি (স্বামী মৃত নূর ইসলাম)। এই সুফির ছেলে নূর ইসলামের মাহিদীয়াই তিন তলা বাড়ি। তার পিক আপ আছে ১ টা।
৫) জোৎস্না (স্বামী রিক্সা চালক শহিদুল, রেলগেট পশ্চিম পাড়া)। জোৎস্নার কাছে লাইলি ইয়াবার দেড় লাখ টাকাও পাবে। এছাড়া এরা মনো (স্বামী হিজলে আবুল),
তুহিন (পিতা কানা বাসার), এবা (খানের ভাই)সহ বিভিন্ন মাদক কারবারি কে ইয়াবা সাপ্লাই দেয়।
মাদক ব্যবসায়ী লাইলী কিছু সন্ত্রাসী দখলদার দিয়ে রাজ্জাকের বাড়ীর পূর্ব পশ্চিমে প্রাচীরের উপর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে। উত্তর পার্শ্বে সীমানার প্রাচীরের ওপর আরে স্থাপনা নির্মাণ করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। রাজ্জাকের পানির কল ও বাথরুমের পানির কুয়া লাইলী গঙ অবৈধভাবে গ্রাস করছে। সেখানে রাজ্জাকের ৩৮ শতক জমি যা পুকুর অবৈধভাবে ভরাট করে জমিটি জবর দখল করার পায়তারা করছে। এ বিষয়ে ভুক্তভুগি রাজ্জাক চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ সাহেবকে অবগত করেছেন। তিনি নিষেধ করেছেন কিন্তু উক্ত লাইলীগঙ কারো কোন কথা কর্ণপাত করছে না। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উল্টো অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ খুন জখম করার সড়যন্ত্র করছে। এ বিষয়ে রাজ্জাকের স্ত্রী নাসিমা আফরোজ যশোরের পুলিশ সুপার, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও ভূমি মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছিলন কিন্তু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর সব চাপা পড়ে যায়। এর আগে আওয়ালীগের ছত্রছায়ায় থেকে অনেক ক্ষয় ক্ষতি করেছে লাইলী গঙ।
আবেদনটি গ্রহণ পূর্বক সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক আইনগত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভুগি আব্দুর রাজ্জাক।