
ডেক্স রিপোর্ট
মহেশখালীতে প্যারাবন কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে, কুতুবজোমের বেলায় বন বিভাগ সম্পূর্ণ দায় এড়িয়ে চলছে- এসব জমি বেজাকে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে। পুলিশ দায় এড়িয়ে যাচ্ছে- তাদের করার কিছু নাই বলে। উপজেলা প্রশাসন দায় এড়িয়ে যাচ্ছে -বেজা কোনো প্রকার সহযোগিতা করছে না বলে। প্রশাসন বলছে- বেজা তাদের অভিযান করতে বলেই কোনো প্রকার সহযোগিতা করছে না, মামলা দিচ্ছে না। বেজার এক ধরণের নির্লিপ্ততা নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করছে সাধারণের মনে। বেজার বিরুদ্ধে নানা কথাও ছড়িয়ে পড়ছে। বোজার এক কর্মকর্তা(মহেশখালীর সাবেক ইউএনও ইয়াছিন)’র বিরুদ্ধে নানা ভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার কথা ছড়িয়ে পড়েছে চারদিক। বড় মহেশখালীর মহসিন আনোয়ারসহ অনেকেই নতুন ভাবে চলা এই দখল কাজে যুক্ত বলে অনেকেই জানাচ্ছেন। কুতুবজোমের জনপ্রতিনিধিরা দখলদারদের থেকে বিনা বিনিয়োাগে ভাগ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বড় মহেশখালীর নেতাদের পুত্র, ভাই, ভাগিনা, পাড়ার লোক, নেতাদের স্ত্রীর আত্মীয় এসব দখল কাজে যুক্ত বলেই নেতারাও রহস্যজনক নীরব। ইতোমধ্যে প্যারাবন বহুলাংশে শেষ হয়ে গেছে। ক্ষতিটা মহেশখালী দ্বীপের, মহেশখালীবাসীর। লাভটা নেতাদের-আত্মীয়দের, পরিবারের। লাভটা বেজার কতিপয় দুর্নীতিবাজদের।-কিছু কিছু প্রশাসনের লোকদের। চূড়ান্ত ভাবে দখলদারদের।