
মোঃ জাকির হোসেন জুয়েল
কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন ব্যাপারীর ছেলে মোঃ নাজমুল হাসান বাবু এলাকায় মাদক প্রতিরোধ করতে গিয়ে নিজেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জেল হাজতে অবস্থান করছেন।
ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ব্যাপারী অসুস্থ থাকায় ০৯ নং ওয়ার্ড এর প্রায় সকল কাজ তার সুযোগ্য ছেলে নাজমুল হাসান বাবু কে সামলাতে হয়। সেই সু বাদে ২৯/০৬/২৬ ইং তারিখে
ঘটনা আনুমানিক সন্ধ্যা ৭.২০ ঘটিকার সময় সন্দেহজনক ভাবে ১নং আসামী মোঃ রেজাউল করিম রাজু ও ৪ নং আসামী আরিফ কে আসে পাশে ঘুড়াঘুড়ি করতে দেখতে পায় ৩ নং আসামী মোঃ সুজন এক পর্যায় আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরিফ খিপ্ত হয়ে সুমন আরিফ হাতাহাতি শুরু হয়।
এমতাবস্থায় স্থানীয় ০৯ ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন ব্যাপারী কে ঘটনা স্থানে থাকা একজন ব্যক্তি ফোন দিলে আনোয়ার আলী ব্যাপারী অসুস্থ থাকায় ছেলে এ বি এম নাজমুল হাসান বাবু কে ঘটনা স্থলে পাঠান।
সেখানে গিয়ে দেখতে পায় ৩/৪ নং আসামী হাতাহাতি চলমান সে ঘটনার স্থানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরবর্তিতে সবার দাবি আরিফের কাছে ইয়াবা ট্যাবলেট আছে নাজমুল হাসান বাবু আরিফ কে জিজ্ঞেস করলে আরিফ বলে ১ নং আসামীর রোজাউল করিম রাজুর কাছে আছে, এই কথা শুনা মাত্র রাজু মটর বাইকে চলে পালানোর চেষ্টা করলে নাজমুল হাসান বাবু রাজুকে ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে নাজির হোসেন এর বাসার সামনে রাজু কে আটক করে তার পকেটে থাকা ২৫০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করেন নাজমুল হাসান বাবু ও সুমন মিয়া।
কিন্তূ সেখানে হাতাহাতি ও জনতার চাপের মুখে পড়তে হয়, এক পর্যায়ে একটা পলিথিন ব্যাগ ছিঁড়ে পড়ে। তখন সবাই অন্ধকারে খোঁজাখুঁজি করে ২৪০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
ভারপ্রাপ্ত ওয়ার্ড সদস্য এ বি এম নাজমুল হাসান বাবু ও এলাকাবাসী নাগেশ্বরী থানা কর্মরত এস আই মিজানুর রহমান মিজান কে হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে নাজমুল হাসান বাবু রোজাউল করিম রাজু কে ধরতে আসলে ঘটনা স্থান থেকে ৩ নং আসামী সুমন ৪ নং আসামী আরিফ ও ৫ নং আসামী রাজ্জাক সু কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে কিছু লোক নাজমুল হাসান বাবুকে দোষী বানানোর চেষ্টা করে। তারা প্রশাসন সহ এলাকাবাসীর সামনে চিৎকার করে বলতে থাকে বাবুর কাছে আড়াইশ ইয়াবা ট্যাবলেট আছে। তার বিরোধী গ্রুপের সংখ্যা বেশি থাকায়, বাধ্য হয়ে প্রশাসন সন্দেহ মূলকভাবে তাকেও থানায় নিয়ে যায়। ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এখন সে জেল হাজতে অবস্থান করছে।
এলাকার বেশিরভাগ মানুষ বলছে, নাজমুল হাসান বাবু অত্যন্ত ভালো ছেলে প্রতিবাদী ছেলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় তিনি সোচ্চার থাকেন। এলাকাবাসীর দাবি ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।