
ডেস্ক রিপোর্ট
নোয়াখালী জেলাধীন চাটখিল উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয় হলো বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হয়েও ইফতার ও সেহরির সময় এবং ছেলে-মেয়েদের পড়া-লেখার সময় লোডশেডিং শুরু হয়। লোডশেডিং এর একটা সীমা থাকা উচিত। সিডিউল লোডশেডিং নাই যখন-তখন বিদ্যুৎ দিবে এবং নিয়ে যাবে দেখা গেলো ৩ঘন্টা পর বিদ্যুৎ আসলো আবার ২৫-৩০ মিনিট পর চলে গেলো। চাটখিল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ঘন্টা বিদ্যুৎ দিবে আর ৩ঘন্টা লোডশেডিং দিবে এই নীতিতে চলছে তারা।
তারা যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে তাতে পূল ভল্টেজ থাকেনা কারণ ফ্যানগুলো পূল স্পিডে ঘোরেনা। ফ্রিজের খাবার গুলো সঠিকভাবে ঠান্ডা হচ্ছে না কারণ বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। আর যতটুকু সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকেন তাতে করে একটা আই.পি.এস. তো দুরের কথা একটা মোবাইল পূল চার্য হয় না।
তাদের আরো একটা দোষ হলো বছরের বেশির ভাগ সময় সঞ্চালন লাইনে কাজ এবং গাছের ডাল-পালা কাটার অজুহাত দিয়ে সকাল-সন্ধ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে। এভাবে চলতে থাকলে জনগণ একদিন ফুসে উঠবে।
তাই এ জনদুর্ভোগ লাগবে আশুব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য চাটখিল উপজেলা বাসীর প্রাণের দাবি।