
মোঃ জায়েদ হোসেন (কমলনগর) লক্ষ্মীপুরঃ
নিভৃত শোকের এক দীর্ঘ পদযাত্রা
মানুষের জীবন কখনো কখনো কষ্টের এমন এক মহাকাব্য হয়ে দাঁড়ায়, যা কল্পনাকেও হার মানায়। তারেক রহমানের জীবন যেন তেমনই এক বিয়োগান্তক উপাখ্যান।
শৈশবের সেই শূন্যতা: যখন পৃথিবীটাকে মাত্র চিনতে শুরু করেছেন, ঠিক তখনই হারিয়েছেন বটবৃক্ষসম পিতাকে। যে বয়সে বাবার হাত ধরে পথ চলাই ছিল সবচেয়ে বড় ভরসা, সেই বয়সে কাঁধে চেপেছিল পিতৃহীনতার এক পাহাড়সম বোঝা।
প্রবাসের নিঃসঙ্গ দহন: বিদেশের মাটিতে থাকা অবস্থায় পেয়েছেন আদরের ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর। শেষবার ভাইকে দেখার সুযোগটুকুও দেয়নি নিষ্ঠুর নিয়তি। সেই হাহাকার বুকে চেপে কত রাত যে তিনি একাকী পার করেছেন, তা কেবল তিনিই জানেন। শেষ আশ্রয়টুকুও হারানো: আর আজ, যার দোয়ায় সকল বাধা জয় করার সাহস পেতেন, সেই মমতাময়ী মাকেও তিনি হারালেন। একজন সন্তানের কাছে মায়ের চেয়ে বড় কোনো পৃথিবী নেই। আজ সেই পৃথিবীটাও যেন তাঁর জন্য থমকে গেল।
একদিকে ১৭বছরের নির্বাসন অতীত, অন্যদিকে প্রিয়জনদের একের পর এক বিদায়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া—এ এক অবর্ণনীয় পরীক্ষা।
“হে আল্লাহ, আপনি তাঁকে এই কঠিন সময়ে হিমালয়সম ধৈর্য ধারণ করার শক্তি দান করুন। তাঁর বুকফেটে আসা কান্নাগুলোকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে দিন। তাঁর মাতাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং এই শোক কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দান করুন।”