
মু আ হা ইবনে জালাল
শরীয়তপুর প্রতিনিধি
শরীফ ওসমান বিন হাদি।একটি নাম।একটি ইতিহাস।গোটা পৃথিবীর অসত্যের বিপক্ষে একটা প্রতিবাদের ভাষা।দেশপ্রেম ও ঈমানের সমন্বিত রূপ। অরাজনৈতিক ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। কবি নজরুলের “বিদ্রোহী”ধারণ করেছিলেন নিজের মধ্যে। আপাদমস্তক মেধাবী প্রায় ৩৩ বছরের এই তরুণ সকল সাচ্চাবাদীদের অন্তর কেড়ে নিয়েছিল তাঁর অনন্য সাধারণ বক্তব্যের মাধ্যমে। মিথ্যার দোসররা তাঁকে বাঁচতে দেয়নি। ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে গু/লিবি/দ্ধ হয়ে ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯.৩০ টায় দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে শহীদি মৃত্যু বরণ করে চলে যান মহান আল্লাহর দরবারে। ০১ দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয় তাঁর জন্য। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে স্মরণ কালের সর্ববৃহৎ জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্রোহী কবির পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। তিনি ছিলেন কবি নজরুল সহ ছয় নম্বর। দাফন করা ব্যক্তি।ইতিপূর্বে আরও পাঁচজন ছিলেন।
শহীদ হা’দি হ’ত্যার বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহবানে শাহবাগ অবরোধ কর্মসূচি।অসত্যের বিরুদ্ধে, সকল আধিপত্যের বিরুদ্ধে এবং বিচারের দাবিতে স্লোগানের পাশাপাশি শহীদ শরিফ ওসমান হা’দির জন্য কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় অবরোধে অংশ নেয়া জনতাকে।
শাহবাগ, শহীদ হা’দি চত্ত্বর।২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ রাত প্রায় ১.০০ টা।আপামর জনতা কাঁদছে। মহান হে রাজাধিরাজ, তাঁকাও বাংলাদেশের রাজপথের আত্মতাগী এ জনতার মুখপানে।পাঠাও তোমার আবাবিল,কিংবা মশা।শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দিওনা।