মোঃ জাকির হোসেন জুয়েল
কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রাম–১ (নাগেশ্বরী–ভুরুঙ্গামারী ও কচাকাটা থানা) আসনে নির্বাচনী তৎপরতা এখন দেখার মতো। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানার পক্ষে প্রচারণা চালান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. মো. ইউনুছ আলী।
পাশাপাশি নারীদেরকেও অনেক বেশি মাঠ পর্যায়ে প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং যোগ্য নেতৃত্ব, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছে জনপ্রিয়তায়। কচাকাটা এলাকায় সবচেয়ে ধানের শীষের প্রচারণায় মনোযোগ আকর্ষণ করছে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. মো. ইউনুছ আলী।
এছাড়াও, আত্মীয়স্বজনরাও, দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।
ডাঃ ইউনুছ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভায় অংশগ্রহণ করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট ও সাইফুর রহমান রানার জন্য দোয়া কামনা করেন। শুরু থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন।
প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রতিটা দোকানপাট গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়, লিফলেট বিতরণ এবং উঠান বৈঠক করেন। এসব কর্মসূচিতে প্রার্থীর নির্বাচনী অঙ্গীকার ও এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তরুণ ভোটারদের সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-ছাত্রদল সহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচারণার বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তবর্তী ও নদী ভাঙন-প্রবণ এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো বিষয়গুলো ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ফলে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই প্রার্থীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে, কুড়িগ্রাম–১ আসনে নির্বাচনী মাঠ ক্রমেই সরব হয়ে উঠছে। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ভোটারদের সঙ্গে কথা হলে
তারা জানান, ধানের শীষের স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তারা আরো বলেন, এখন পর্যন্ত এখানে ধানের শীষ প্রতীক তথা সাইফুর রহমান রানা অনেক এগিয়ে আছে। আল্লাহ চাইলে শেষ পর্যন্ত তিনি এমপি নির্বাচিত হতে পারেন।