
ডেস্ক রিপোর্ট:
এখন থেকে প্রায় ১৫-২০ বছর আগেও বরিশাল-বাগেরহাট-খুলনা অঞ্চলে বিজুর মত করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেও ‘ফুল ভাসানো’ উৎসব অনুষ্ঠিত হতে দেখা গেছে। এখন সেটা অনেকটা স্মৃতি মাত্র। এই উৎসব প্রতিবছর পহেলা ফাল্গুন শুরু হত, এবং সারা মাসব্যাপী চলতো। শেষ দিনে বিজুর মত করে পুকুরে বা নদীতে নেমে জলকেলিও হত। ভাঁটিফুল ও কুমড়ো ফুল এই আয়োজনের একটা বড় উপকরণ ছিল। মাটি দিয়ে পিরামিড আকৃতির একটা বেদী করা হত, তার চারপাশ দিয়ে এসব ফুল সাজানো হত। বিভিন্ন রকমের গান পরিবেশন শেষে সবাই মিলে ফুলগুলো নিয়ে নদী খাল বা পুকুরে ভাসানো হত। প্রত্যেকটা ফুলগুচ্ছের আলাদা নাম এবং সম্মান ছিল। বেদীর চূড়ার ফুলটা রাজ-সম্মানে সবার আগে জলের স্পর্শ পেতো, এরপর বাকিরা। খুলনা-বাগেরহাট অঞ্চলে এখনো কোথাও এই উৎসব চালু থাকলে তা সংরক্ষণ করা উচিত। জাতিসত্ত্বা, সম্প্রদায়, গোষ্ঠী টিকে থাকে মূলত তাদের সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার মাধ্যমে। আমার সংস্কৃতিই আমার শেকড়ের পরিচয়।