
ডেস্ক রিপোর্ট :
তার খামারে সাড়ে তিন বছর ধরে একটি উন্নত জাতের ষাঁড় লালন-পালন করে আসছেন। শারীরিক আকার আকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের কারনে টিপু তার ওই সখের ষাঁড়ের নাম রেখেছেন পালোয়ান। ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে সখের পালোয়ান বিক্রি করতে চান টিপু। বৃহৎ আকৃতির ওই ষাঁড়ের দাম হেঁকেছেন তিনি চৌদ্দ লাখ টাকা।
জানা যায়, হায়াতপুর গ্রামের খামারি আসাদুল ইসলামের স্বপ্ন উন্নত জাতের গরু পালন করে লাভবান হওয়ার। তিনি দেশের বিভিন্ন খামারিদের সফলতার গল্প ও ইউটিউবে উন্নত জাতের গরু পালনের ভিডিও দেখে উৎসাহি হয়ে নিজেই আরম্ভ করেন গাভী পালন। বাড়ির ভেতরে শয়ন কক্ষের পাশেই ছোট আকারের জায়গা তৈরী করে সেখানে গরু রাখেন। নিয়মিত নানা খাদ্য সরবরাহ করেন। নিজের সন্তানের মতই ওই গরুকে আদর যত্ন করে বড় করেন। দিনে দিনে বেড়ে ওঠে তার সখের পালোয়ান। বাড়ির ভেতরে বিশাল আকৃতির ষাঁড় রয়েছে এখবর তার প্রতিবেশীরাই জানতোনা। দীর্ঘ এক বছর পর ওই ষাঁড়টি বাড়ির বাইরে বের করে আনলে উৎসুক প্রতিবেশীদের ভীড় জমে যায়। গাভীকে এক নজর দেখার জন্য স্থানীয় নারী-পুরুষ উৎসাহি হয়ে দেখতে থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, সন্তান কে যেভাবে মানুষ আদর-যত্ন করে লালন-পালন করে ঠিক সেভাবেই প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে টিপু তার ষাঁড়কে দেখাশোনা করে। এখানকার অনেকেই জানে না তার বাড়ির ভেতর এতো বড় গরু রয়েছে। সম্প্রতি বাড়ির বাইরে বের করার কারনে অনেকেই তা দেখার জন্য ছুটে আসে।
ষাঁড় পালনকারী আসাদুল ইসলাম টিপু জানান, তার ওই সখের পালোয়ানের পেছনে প্রতি মাসে পনের থেকে ষোল হাজার টাকার খাবারসহ অন্যান্য খরচ করতে হয়। ষাঁড়টি তিনি চৌদ্দ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান বলে জানিয়েছেন।