
রফিকুল ইসলাম রনজু (কুড়িগ্রাম)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র দুঃসময়ের একজন ত্যাগী কর্মী, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কিরণ। তিনি দীর্ঘদিন থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। ঘর থেকে বের হওয়ার সামর্থ্যটুকুও তাঁর নেই। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত দলের কোনো নেতাকর্মী তাঁর দরজায় গিয়ে দাঁড়াননি, নেননি তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর, শোনাননি একটু সান্ত্বনার বাণী।
প্রশ্ন জাগে, এ কেমন রাজনীতি, যেখানে সুস্থ ও সক্রিয় থাকলে কর্মীর প্রয়োজন হয়, অথচ অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে থাকলেও তাঁর খোঁজ খবর নেওয়ারও প্রয়োজন মনে করেন না। যাঁরা দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁদের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো কি দলের নেতাকর্মীদের নৈতিক দায়িত্ব নয়?
নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি বিনীত আহ্বান, ত্যাগী এই মানুষটির পাশে দাঁড়ান। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিন, একটু সাহস দিন, তাঁর ত্যাগ ও অবদানকে যথাযথ মূল্যায়ন করুন। মনে রাখবেন, একজন কর্মী শুধু দলের প্রয়োজনে কাজ করার মানুষ নন,তিনিও একজন মানুষ। তাঁরও অসুস্থতা আছে, কষ্ট আছে, ভালোবাসা ও সহ-মর্মিতার প্রয়োজন আছে।
দলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সু-সময়ে নয়, তাঁদের দুঃসময়েও মূল্যায়ন করার মানসিকতা থাকতে হবে। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক রাজনীতির প্রকৃত সৌন্দর্য। প্রশ্ন জাগে, ত্যাগী- নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন কি শুধু দুঃসময়ে দলের আন্দোলন সংগ্রামে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে থাকা ?